
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান গুলিবিদ্ধের আলোচিত ঘটনায় জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ জুন (বুধবার) রাত থেকে কুমিল্লার কাটাবিল এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ‘অপু গ্রুপ’ ও ‘সাব্বির গ্রুপ’-এর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ ও গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় রফিক উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির পথচারী শিক্ষার্থী ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হয়।
ঘটনার পরপরই কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের সরাসরি হস্তক্ষেপে জড়িতদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান শুরু হয়। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও থানা পুলিশের যৌথ তৎপরতায় ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত জামসেদ হোসেন শ্রাবণ (২২), পিতা- জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন— আসিফ (২৬), পিতা- মৃত শাহজাহান মিয়া, আশিক (৩৫), পিতা- মৃত সুলতান ও ইমন (১৯), পিতা- ইকবাল।
গ্রেফতার হওয়া চারজনেরই বাড়ি কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা এলাকায়।
এ বিষয়ে কুমিল্লার পুলিশ সুপার বলেন, “সমাজে নিরাপত্তা বিঘ্নকারী এবং মাদক ও অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধীকে কুমিল্লার মাটিতে ছাড় দেওয়া হবে না। স্কুলছাত্র ইথানের ওপর যারা গুলি চালিয়েছে, তাদের আমরা দ্রুততম সময়ে আইনের আওতায় এনেছি। অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের এই কঠোর অবস্থান এবং চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।









