২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Contribute News কনভার্টার

২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
HomeFirst leadকুমিল্লায় ঝটিকা মিছিলে অর্থ ও জনবল দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস

কুমিল্লায় ঝটিকা মিছিলে অর্থ ও জনবল দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস

স্টাফ রিপোর্টার।।

কুমিল্লায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, অর্থায়ন এবং বিভিন্ন বিতর্কিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ নেতা মো. ইলিয়াস হোসেনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের বারপাড়া দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় ও রাজনৈতিক সূত্র।

সূত্রগুলোর দাবি, ইলিয়াস অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তার একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রের ভাষ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি ওমানে যান। একই সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ফিরে তিনি পুনরায় রাজনৈতিক যোগাযোগ সক্রিয় করেন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করেন।

স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দেশে অবস্থানকালে তিনি কুমিল্লার সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দীন বাহারের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করতেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ কুমিল্লা জেলা ও মহানগরের একাধিক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।

সূত্রগুলোর আরও দাবি, কোরবানির ঈদের সময় দেশে ফিরে তিনি সাবেক এক সংসদ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ এলাকায় অনুষ্ঠিত একটি ঝটিকা মিছিলে অর্থায়ন ও জনবল সরবরাহে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ জুন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে অনুষ্ঠিত একটি ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪৫ জনকে আটক করে এবং কয়েকটি যানবাহন জব্দ করে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন ইলিয়াসের অনুসারী ছিলেন এবং তাদের জামিন প্রক্রিয়ায় আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হয়েছিল।

তবে উল্লিখিত সব অভিযোগের বিষয়ে মো. ইলিয়াস হোসেনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

নিউজডেস্ক/কুক্রানি/২৬