১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Contribute News কনভার্টার

১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
HomeFirst leadসিটি কর্পোরেশনের ল্যান্ডফিলে উদ্বোধন আধুনিক ইনসিনারেশন প্ল্যান্টের, কমবে জীবাণু ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি- সিটি প্রশাসক

সিটি কর্পোরেশনের ল্যান্ডফিলে উদ্বোধন আধুনিক ইনসিনারেশন প্ল্যান্টের, কমবে জীবাণু ও পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি- সিটি প্রশাসক

কুমিল্লায় আধুনিক মেডিকেল বর্জ্য ইনসিনারেশন প্ল্যান্টের উদ্বোধন: হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংক্রামক বর্জ্য এখন পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস হবে; প্রতি ঘণ্টায় এক টনের বেশি বর্জ্য পোড়ানোর সক্ষমতা

আয়েশা আক্তার।।

নগরীর হাসপাতাল ও ক্লিনিকের জীবাণুবাহী গজ, ব্যান্ডেজ, ব্যবহৃত সিরিঞ্জ, সুই, সেলাইয়ের সুতা ও অন্যান্য সংক্রামক চিকিৎসা বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি হিসেবে জেনে আসছে। এসব বর্জ্য যথাযথভাবে ধ্বংস না হলে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সুজানগর (ঝাঁকুনিপাড়া) স্যানিটারি ল্যান্ডফিল এলাকায় একটি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব মেডিকেল বর্জ্য ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে প্ল্যান্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন হাসান, কর্পোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, এই প্রকল্পের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। অবশেষে আধুনিক ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট চালু হওয়ায় হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে উৎপন্ন সংক্রামক বর্জ্য নিরাপদভাবে ধ্বংস করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য পরিবেশ দূষণ ও জীবাণু বিস্তারের অন্যতম কারণ। নতুন এই প্ল্যান্ট প্রতি ঘণ্টায় এক টনেরও বেশি মেডিকেল বর্জ্য উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়িয়ে ছাইয়ে পরিণত করতে সক্ষম, ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন হাসান বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ না হলে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর সংক্রামক বর্জ্য নিরাপদে সংগ্রহ, পরিবহন এবং ইনসিনারেশনের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করা হবে। পরবর্তীতে অবশিষ্টাংশ স্যানিটারি ল্যান্ডফিল ব্যবস্থাপনায় অপসারণ করা হবে।

এসময় স্থানীয়রা বলেন, আধুনিক এই ইনসিনারেশন প্ল্যান্টের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হলে কুমিল্লার চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজডেস্ক/২৬