২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Contribute News কনভার্টার

২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
HomeSecond leadফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা—‘ট্রফির চেয়েও বড় আমাদের একসঙ্গে পথচলা’

ফাইনালের আগে মেসির আবেগঘন বার্তা—‘ট্রফির চেয়েও বড় আমাদের একসঙ্গে পথচলা’

Lionel Messi

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পর্দা নামবে ফুটবল বিশ্বকাপের। বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় নিউইয়র্কের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী মহারণে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বহুল প্রতীক্ষিত এই ফাইনালকে ঘিরে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন একটি বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

নিজের পোস্টে মেসি সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং দলের নেপথ্যে নিরলস পরিশ্রম করা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিরোপার চেয়েও বড় অর্জন হলো তাদের একসঙ্গে কাটানো এই দীর্ঘ পথচলা।

পোস্টের সঙ্গে একটি দলীয় ছবিও শেয়ার করেছেন মেসি। ছবিতে তার পাশে রয়েছেন প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। এছাড়া খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, মেডিকেল টিম, কিট ম্যান, রাঁধুনি এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়ার নেতৃত্বে দলের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ফাইনালের আগে বিশ্রামে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে পুরো দলের একসঙ্গে তোলা এটিই ছিল শেষ ছবি।

স্প্যানিশ ভাষায় লেখা ইনস্টাগ্রাম বার্তায় মেসি লিখেছেন,
‘এত বছরের সুন্দর প্রাপ্তি শুধু শিরোপাগুলোই নয়, বরং পুরো পথচলাটাই। এই দলের সঙ্গে প্রতিদিনের মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া, একসঙ্গে লড়াই করা, কঠিন সময়ে ঘুরে দাঁড়ানো এবং প্রতিটি ধাপ উপভোগ করাই ছিল সবচেয়ে মূল্যবান।’

সতীর্থ ও দলের নেপথ্যের কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক আরও লেখেন,
‘আমার প্রতিটি সতীর্থ, কোচিং স্টাফ এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে এই দলকে একটি পরিবারের মতো ধরে রাখার পেছনে যারা আছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

স্পেনের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে তিনি বলেন,
‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখে ফেলেছে, যা আমরা কখনো ভুলব না এবং কেউ কখনো মুছে ফেলতে পারবে না। এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা!’

বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের তৃতীয় শিরোপার পর এবার টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই রাতে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। আর সেই মহারণের আগে মেসির এই আবেগমাখা বার্তা যেন পুরো দলকে আবারও মনে করিয়ে দিল—শুধু ট্রফিই নয়, একসঙ্গে লড়ে তৈরি করা এই পথচলাই ইতোমধ্যে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।